যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লেখা হয় !!! – News Desk BD
 

যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লেখা হয় !!!

মহান আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে অনেক যত্ন করে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলার মত করে আমাদেরকে আর কেউ ভালোবাসেন না। আর ভালোবাসতে পারেনও না। আর আল্লাহ তাআলা তার প্রদর্শিত পথের পথিকদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন জান্নাত।

যার তলদেশ দিয়ে সুমিষ্ট নহর প্রবাহিত করে দিয়েছেন। আর আল্লাহ তাআলার পরেই আমাদেরকে অত্যধিক ভালোবাসেন আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূল (সাঃ)।

রাসূল (সাঃ)সব সময় চিন্তা করতেন কিভাবে আমরা নাযাত পেতে পারি, কিভাবে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি পেতে পারি। তিনি আজীবন আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন কিভাবে আমরা অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হতে পারি।

এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে গিয়েছেন ছোট্ট একটি আমল । যে আমলটি করার ফজিলত অপরিসীম। আসুন আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি ছোট্ট এই আমলটি সব সময় করার। আর অর্জন করি দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা।

ছোট্ট একটি দোয়াঃ- “জাযাআল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা-হুয়া আহলুও।”

নবী কারীম (সাঃ) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ১ বার এই দোয়া পাঠ করবে, ৭০ জন ফেরেশতা এক হাজার দিন পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে উহার সাওয়াব লিখতে থাকবে।

হযরত ইবরাহীম আঃ কে যখন আগুনে পুড়িয়ে মারার জন্য নমরুদ ৮ মাইলপরিমান জায়গা আগুন জ্বালালো , তখন একটা নতুন সমস্যা দেখা দিল।

আগুনের উত্তাপ এতই বেশি ছিল যে তার কাছে পৌছানো যাচ্ছিল না। তাই একটা চরক বানানো হল যার মাধ্যমে ইবরাহীম (আঃ) কে ছুড়ে আগুনে নিক্ষেপ করা যায়।

কিন্তু রহমতের ফেরেশতা রা চরকের একপাশে ভর করে থাকায় চরক ঘুরানো যাচ্ছিল না।

তখন শয়তান নমরুদকে কুবুদ্ধি দিল কিছু নগ্ন মেয়ে(পতিতা) এনে চরকের সামনে বসিয়ে দিতে, কারন এ অবস্থায় ফেরেশতারা থাকতে পারবে না। তাই করা হল এবং ফেরেশতারা চলে গেল, ইবরাহীম (আঃ) কে আগুনে নিক্ষেপ করতে তারা সক্ষম হলেন।

পরবর্তিতে ঐ মেয়েগুলোকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দান করা

হল এবং তাদের মাথায় তীলক পরানো হল। যেটা এখন আমাদের কাছে টিপ নামে পরিচিত।

অতএব যারা বলে— মহিলাদের সৌন্দর্য সব জায়গায় এবং এই দোহাই দিয়ে টিপ কে নিজেদের জন্য বৈধ মনে করেন, তারা যুগযুগ ধরে নিজেদের কোন পরিচয় বহন করছেন তা একবার ভেবে দেখবেন ?

পতিতার পরিচয় বোঝানোর জন্য যে টিপ ব্যবহার করা হত, তা আজ আমাদের উপমহাদেশে ফ্যাশন! ওহে! মুসলিম নারীরা,

এই সত্য কথাটা জানার পর ও কি আপনি/আপনারা কপালে টিপ পড়বেন??

সূত্রঃ

* তাফসীরে মা-রেফুল কুরআন, হযরত ইবরাহিম (আঃ)

মূলগ্রন্থ।

* তাবারী, তারীখ, ১খ, ১২৩-১২৪; ছালাবী

* আদি গ্রন্থ, কাসাসুল আম্বিয়া, পৃষ্ঠাঃ ৮১, আদি ইসলামী ইতিহাস

[Close]

* ইবনে কাসীর.

লাইক দিন ও জনস্বার্থে শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*